Notice: Function WP_Scripts::add was called incorrectly. The script with the handle "ekit-behance-feed-script-handle" was enqueued with dependencies that are not registered: elementor-editor. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.9.1.) in /home/subhranil/dipankarsirpwp.in/wp-includes/functions.php on line 6131

অসিদ্ধি কয় প্রকার ও কি কি? এগুলি ব্যাখ্যা সহযোগে আলোচনা করো?

অসিদ্ধি কয় প্রকার ও কি কি? এগুলি ব্যাখ্যা সহযোগে আলোচনা করো?

Facebook
Twitter
WhatsApp
Telegram


আশ্রয়সিদ্ধি হেত্বাভাস :-
পাঁচ প্রকার হেত্বা ভাসের মধ্যে দ্বিতীয় প্রকার হেত্বাভাস হল অসিদ্ধ। অসিদ্ধি দোষ যুক্ত হেত্বাভাস হল অসিদ্ধ।৭৫ নং কারিকায় এই প্রয়োগ করা হয়েছে।
আশ্রয়াসিদ্ধিরাদ্যা স্থাৎ স্বরূপাসিদ্ধিরপ্যেথ।
ব্যাপ্যত্বা সিদ্ধিরপেরা স্যাদ সিদ্ধিরতস্ত্রিবা।।৭৫।।
অসিদ্ধ তিন প্রকার। আশ্রয় সিদ্ধি, স্বরুপা সিদ্ধি ও ব্যাপ্যতা সিদ্ধি। আশ্রয় শব্দ দ্বারা পক্ষকে বোঝানো হয়েছে তাই হেতুটিকে বলা হল পক্ষসিদ্ধ হেতু,বা পক্ষ সিদ্ধ হেত্বাভাস।এই হেত্বাভাসে আশ্রয় বা পক্ষটি অসিদ্ধ অনুমানে হেতুর আশয়ভূত পক্ষটি বা পক্ষের অবচ্ছেদক বা বিশেষানাশটি অপ্রসিদ্ধ বা অবাস্তব হলে আশ্রয় সিদ্ধি নামক হেত্বাভাস হয়। পক্ষা সিদ্ধি যএ পক্ষো ভবেন্মনিময়ো গিরি।(৭৬) এই কারিকার প্রথমার্ধে মনিময় গিরিকে আশ্রয় সিদ্ধি বা পেক্ষা সিদ্ধির দৃষ্টান্ত রূপে দেখানো হয়েছে।অনুমানটি এই রকম হয়-
মুনিময় পর্বত বহিমান ধূমাৎ। ধূম এমন একটি হেতু যে হেতুর পক্ষটি অর্থাৎ মনিময় পর্বত পক্ষটি অসিদ্ধ বা অপ্রসিদ্ধ তাই আশ্রয় সিদ্ধ বা পেক্ষ সিদ্ধ নামক হেত্বাভাস।(৭৫) নং কারিকায় মুক্তাবলী টাকায় শুধু এই টুকুই বলা হল অসিদ্ধ বিভজতে আশ্রয়াসি দ্ধিরিত্যাদি।পেক্ষা সিদ্ধিরিতি আশ্রয়াসিদ্ধিরিত্যর্থ।অপরেতি স্বরূপা সিদ্ধিরিত্যর্থ।


স্বরুপাসিদ্ধি হেত্বাভাস:-


দ্বিতীয় প্রকার অসিদ্ধি হল স্বরুপা সিদ্ধি। স্বরূপা সিদ্ধিতে হেতু এবং হেতুর আশ্রয় পেক্ষা প্রসিদ্ধ হলেও হেতুটি আশ্রয়ভূতও পক্ষে থাকে না বলে স্বরুপা সিদ্ধি নামক হেতুর দোষ হয়। অর্থাৎ এক্ষেত্রে হেতুটি পক্ষে স্বারুপত সিদ্ধ হয় না।হেতুটি পক্ষে থাকে না স্বরূপো সিদ্ধ নামকরণ যেমন শব্দ অনিত্য চাক্ষুষত্বাৎ। এখানে শব্দ চাক্ষুষ প্রত্যক্ষের যোগ্য বিষয় নয় বলে পেক্ষভূত শব্দের চাক্ষুষত্ব হেতু থাকে না বলে স্বরূপোসিদ্ধি নামক হেতুরদোষ হয়।
স্বরুপো সিদ্ধির অন্তর্গত ভাগাসিদ্ধি নামক হেত্বাভাসের ও উল্লেখ করা যেতে পারে এই প্রসঙ্গে পক্ষের অন্তর্গত কোনো স্থলে হেতু থাকে কোনো স্থলে হেতু থাকে না এরকম হলে ভাগাসিদ্ধি দোষ ঘটে। যেমন- ক্ষিতি স্বকতৃকা কার্যত্বাৎ। এখানে ক্ষিতি পেক্ষ স্বকতৃকত্ব সাধ্য কার্যত্ব হেতু।অনুমানে সকল ক্ষিতিতে হেতু কার্যত্ব নেই,ঘটাদিরুপে ক্ষিতিতে কার্যত্ব হেতু নেই তাই এক্ষেত্রে ভাগাসিদ্ধি দোষ ঘটেছে। আশ্রয়া সিদ্ধি হেতু পক্ষে থাকে না। স্বরূপা সিদ্ধি হেতু ও পক্ষে থাকে না। এক্ষেত্রে পার্থক্য হল আশ্রয়া সিদ্ধির ক্ষেত্রে পক্ষ ও বাস্তব বা অলীক পদার্থ কিন্তু স্বরূপো সিদ্ধির ক্ষেত্রে পক্ষ পদার্থটি বাস্তব বস্তু।


ব্যাপ্যত্বাসিদ্ধি :-


যে হেতুর বিশেষণ পদটি ব্যর্থ বা অসিদ্ধ সেই ব্যর্থ বিশেষণক হেতু ব্যাপ্যতা সিদ্ধ নামক হেত্বাভাস বা হেতুর দোষ বলে অভিহিত হয়। ভাষা পরিচ্ছেদ গ্রন্থে ৭৭ নং কারিকায় উল্লিখিত আছে যে-
ব্যাপ্যতা সিদ্ধিরপেরা নীল ধূমা দিকে ভবেৎ। অর্থাৎ, তৃতীয় প্রকার অসিদ্ধি হল ব্যাপ্যতা সিদ্ধি। এটা ‘পর্বতো’বহিমান নীলধূম প্রভৃতিতে থাকে।
গুরু ধর্ম নীল ধূমত্ব রূপে নীলধূমে বহির ব্যাপ্তি বা ব্যাপ্যতা অস্বীকৃত হোয়ায় নীল ধূমত্ব বহির ব্যাপ্যতা বচ্ছেদক হয় না।সুবর্নময় ধূমাৎ ইত্যাদি ক্ষেত্রেও একই ধূম হবে। ব্যর্থ বিশেষণ নীলধূমরুপ হেতুতে ব্যাপ্যত্বা সিদ্ধি নামক হেত্বাভাস হয়েছে।
প্রশ্ন ধূমত্ব নীলধূমত্ব হতে ভিন্ন না হওয়ায় ‘নীলধূমত্ব’ধূমত্ব ঘটিত হলে এতে ব্যাপ্যত্বা সিদ্ধি দোষ কেন হবে।এর ধর্মন্ডার ঘটিত্ব তো অক্ষুন্নই আছে? উত্তর– ধর্মান্তর শব্দের অর্থ হল –
‘স্বপর্যাপ্তো বচ্ছেদকতাক প্রকারতা বচ্ছেদক তাপের্যাপ্ত্য ধিকারনত্ব’ নীলধূমত্বে পর্যাপ্ত যে নীলত্ব ও ধূমত্ব উভয়নিষ্ঠ অবচ্ছেদকতা এর নিরুপক যে নীলত্ব ও ধূমত্ব উভয়নিষ্ঠ প্রকার তা এর দ্বারা নিরুপিত পর্যাপ্তির অবচ্ছেদ কতার অধিকরন নীলত্ব ও ধূমত্ব উভয়ই হবে, কেবল ধূমত্ব হবে না।
সুতরাং ধূমত্ব তাদশ ধর্মান্তর হওয়ায় নীল ধুমত্বে ব্যাপ্যতা সিদ্ধি সংঘটিত্য হবে।
তর্ক সংগ্রহে ব্যাপ্যত্বা সিদ্ধির সংজ্ঞা রূপে নিম্নরুপ বলা হয়েছে সোপারিকো হেতু ব্যাপ্যত্বা সিদ্ধিরা ব্যাপ্যত্ব সিদ্ধ।হেতুটি উপাধি যুক্ত হলে যেখানে এই দোষটি হয়ে থাকে আবার সাধ্যব্যাপকত্বে সতি সাধনা ব্যাপেকত্বম্ উপাধি।এই লক্ষণানুসারে ‘পর্বত ধূমবান বহিমত্বাৎ’এই অনুমানে আদ্র ইন্ধিন সংযোগ (ভিজে কার্য সংযোগ) কে উপাধি বলা হয়। সুতরাং বহি বা বহিমত্ত হেতুটি আদ্র ইন্ধান সংযুক্ত হোয়ায় সোপাধিক হেতু হল। এরকম হেতু থেকে পর্বত ধূমবান বহিমওৎ এই অনুমান করা হলে উক্ত সোপাধিক হেতুটি ব্যাপ্তিত্বা সিদ্ধ হেত্ব হয়।


সংপ্রতিপক্ষ হেত্বাভাস কি?
বিরুদ্ধ হেতুদ্বয়ের অর্থাৎ সাধ্য ও তদভাবের সাধক হেতুদ্বয়ের যে স্থলে পরামর্শ হয়,সেই স্থলে প্রকৃত সাধ্য সাধক হেতুতে সৎ প্রতিপক্ষ দোষ হয়ে থাকে।৭৭ নং কারিকা তে আরোও উল্লেখ করা হয়েছে যে- কপি সংযোগত ভাবব্যাপ্যবত্তা পরামর্শেইপিন সৎ প্রতিপেক্ষত্বম উও বিরুদ্ধয়োরিতি। তথা চ স্বসাধ্য বিরুদ্ধ সাধ্যাভাব ব্যাপ্যাবত্তা পরামর্শ কালীন সাধ্য ব্যাপ্যবত্তা পরামর্শ বিষয় ইত্যর্থ।
এখানে ধূমপ্রাগভাবত্ব কে সংগ্রহ করার জন্য ‘স্বসমানাধিকরণ’ বিশেষণ দিয়েছেন। ‘বিরুদ্ধয়োরিতি’ ইত্যাদি।কপি সংযোগ ও উহার অভাবের ব্যাপ্যবত্তার নিশ্চয় পক্ষ হলেও( ‘অয় কপি সংযোগ এতদবৃক্ষত্বাৎ’ ইত্যাদি স্থলে) হেতুর সৎপ্রতিপক্ষ দোষ হয় না। এইজন্য মূলে বিরুদ্ধ বিশেষণটি দেওয়া হয়েছে। তাহলে (সৎ প্রতিপক্ষের লক্ষণ হল- সাধ্যের বিরুদ্ধে যে সাধ্যাভাব, এর ব্যাপ্যবত্তা পরামর্শের সমকালীন যে সাধ্যব্যাপ্যবত্তা পরামর্শ,এর বিষয়ী ভূত হেতুই সৎ প্রতিপক্ষ।
‘ক্ষিতি সকর্তিকা শরীরজন্যেস্ত্বাৎ’
ব্যাখ্যা:- আলোচ্য অনুমানটিতে পক্ষ হল ‘ক্ষিতি’ সাধ্য হলো সকর্তৃকা হেতু হেতু হল শরীরজন্যেত্বাৎ। সৎ প্রতিপক্ষ হেত্বাভাসের নিয়ম বলা হয়েছে বিরুদ্ধ হেতু দ্বয়ের অর্থাৎ সাধ্য এবং সাধ্য ভাবের সার্বকহেতুর পরামর্শ যে স্থলে হয় সেখানে সৎ প্রতি পক্ষ হেত্বাভাস হয়। এক্ষেত্র ক্ষিতি সকর্তৃকা শরীর জন্যেত্বাৎ এই অনুমানটিকে পরামর্শ জ্ঞানের আকারে সাজালে হবে-
সকর্তৃকা ব্যাপ্য শরীর জন্যেত্ববর্তী অয়্ ক্ষিতি। ফলে এর ফলে সৎ প্রতিপক্ষ হেত্বাভাস ঘটেছে।

More Posts

শ্রীশিব-মহিমা স্তোত্রম্​(দীপঙ্কর সামন্ত বিরচিত)​~ Dipankar Samanta

জয় শিব ওঙ্কার, জয় গঙ্গাধর।ত্রিশূলধারী বিভু, জয় বিশ্বেশ্বর।।সৃষ্টি-স্থিতি-লয় যার ভ্রুভঙ্গির খেলা।চরণে প্রণাম জানাই এই সন্ধ্যাবেলা।।​নিরাকার ব্রহ্ম তুমি, জ্যোতির্ময় কায়।পুরাণ কহিছে কথা তোমার মহিমায়।।আদি অন্তহীন তুমি,

শ্রীকালিকা-বিজয়-স্তোত্রম্​(কালিকাপুরাণসার ও দীপঙ্কর-শৈলী আশ্রিত)~ Dipankar Samanta

​নমঃ শিবায়ৈ শিবদাত্রী রূপায়ৈ কালসংস্থিতাম্।কালিকাপুরাণ-প্রোক্তাং বন্দে আদ্যাঞ্চ কালিকা ॥ত্বং সৃষ্টি-স্থিতি-সংহার-কারিকা পরমেশ্বরী।মহাশক্তির্ভবেদ্দেবী জগদ্ধাত্রী সনাতনী ॥নিগুণা ত্বং নিরাকারা সগুণা চ গুণময়ী।যোগিনাং ধ্যানগম্যা চ ভক্তানাং মোক্ষদায়িনী ॥নীলজীমূতসংঙ্কাশা নীলপদ্মদলেক্ষণা।অনন্ত-গগন-ব্যাপ্তা